গোপাল ভাঁড়ের তখন
রমরমা
অবস্থা। দুই
তলা
বাড়ি
বানিয়েছে, সাথে
আরো
অনেক
সম্পত্তি। একদিন বিকালে গোপাল
তার
নতুন
দোতলা
বাড়ির
ঝুলবারান্দায় বসে
হাওয়া
খাচ্ছিল।
এমন সময় এক
লোক
তার
বাড়ির
সামনে
এসে
বলল,
'দাদা
গোপাল,
একটু
নিচে
নেমে
আমার
কথা
শুনবেন?'
গোপাল
ভাঁড়
বলল,
'নিচে
নামতে
পারবনা। তুমি
বল
আমি
এখান
থেকেই
শুনতে
পাব।' লোকটি
বলল,
'না
দাদা,
একটু
নিচে
নামেন
নাহলে
আমি
কথাটা
বলতে
পারবনা।'
গোপাল ভাঁড় ভাবল
হয়ত
কোন
গুরুত্বপূর্ণ কথা
হবে। তাই
সে
নিচে
নামল। কাছে
গিয়ে
লোকটিকে বলল,
'এবার
বল
কি
বলতে
চাও।' তখন
ঐ
লোকটি
বলল,
'দাদা,
একটু
সাহায্য করবেন;
খুব
অভাবে
আছি।'
মনে মনে খুব
রাগান্বিত হল
কিন্তু
মুখে
কিছু
বলল
না। লোকটিকে বলল,
'আমার
সাথে
চল।' গোপাল
তাকে
সাথে
নিয়ে
সিড়ি
দিয়ে
দ্বোতলায় ওঠে
ঘরের
দরজার
সামনে
গিয়ে
দাঁড়াল। তারপর
লোকটাকে বলল,
'তোমাকে
সাহায্য করতে
পারবনা। মাফ
কর।'
এতে লোকটা খুব
দুঃখ
পেল। সে বলল,
'দাদা
আমাকে
নিচে
থাকতেই
কেন
বললেননা যে
সাহায্য করতে
পারবনা?'
তখন
গোপাল
বলল,
'তুমিও
তো
নিচ
থেকেই
সাহায্য চাইতে
পারতে। তুমি
যেমন
আমাকে
দোতলা
থেকে
নিচে
নামিয়েছ, তেমন
আমিও
তোমাকে
দোতলায়
ওঠিয়ে
না
করলাম। বুঝেছ? এবার
মানে
মানে
কেটে
পর। '
এই কৌতুকটি সংগ্রহ করেছেন: এডমিন (হাসিজিন)।



0 মন্তব্যসমূহ